প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে অভিজিৎ হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড | প্রিয় বরিশাল অভিজিৎ হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড | প্রিয় বরিশাল
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
সন্ধ্যার ভয়ংকর ভাঙনে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে গ্রামের পর গ্রাম তিরিশ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া প্রতারক গ্রেপ্তার বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজন মিরপুরে প্রতারক ধরে উল্টো মিথ্যা মামলার শিকার বরিশালের যুবক টকশোতে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীনকে চরম বেয়াদব বললেন বিএনপি নেতা ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতাকে বরিশাল জেলা কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে হঠাৎ করেই ডায়রিয়ার প্রকোপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি বরিশালের সাইলো চালু না হওয়ায় বাড়ছে ব্যাপক জনদুর্ভোগ ও ক্ষোভ বরিশের ভাইরাল শান্ত সাইকেল চুরি করার সময় হাতেনাতে আটক কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ওপর বর্বরোচিত হামলা

অভিজিৎ হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
অভিজিৎ হত্যা মামলায় ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। অপর একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, মো. আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহা, মো. আরাফাত রহমান, সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে মেজর জিয়া (বরখাস্ত) এবং আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান ওরফে হাসিবুল ওরফে আবদুল্লাহ। অপর আসামি শাফিউর রহমান ফারাবীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন পলাতক রয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিদের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সেখান থেকে তাদের ট্রাইব্যুনালে নেওয়া হয়।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শুনানি শেষে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুজিবুর রহমান রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বইমেলা চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ। ওই ঘটনায় অভিজিতের বাবা প্রয়াত অধ্যাপক ড. অজয় রায় শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন। ছেলে হত্যার বিচারের আশায় অসুস্থ শরীরে হুইল চেয়ারে বসে ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে এসে সাক্ষ্য দেন ড. অজয় রায়। এর দেড় মাসের মাথায় ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। দেখে যেতে পারলেন না ছেলে হত্যার বিচার।

২০১৯ সালের ১৩ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (পরিদর্শক) মো. মনিরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ১ আগস্ট ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুজিবুর রহমান।

২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায়ের সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। গত ২১ জানুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102