প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে ৩৩২ কোটির আধুনিক চাল সংরক্ষণাগার অচল: উদ্বোধনের এক বছরেও নেই কোনো সুফল | প্রিয় বরিশাল ৩৩২ কোটির আধুনিক চাল সংরক্ষণাগার অচল: উদ্বোধনের এক বছরেও নেই কোনো সুফল | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
বাকেরগঞ্জে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজন মিরপুরে প্রতারক ধরে উল্টো মিথ্যা মামলার শিকার বরিশালের যুবক টকশোতে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীনকে চরম বেয়াদব বললেন বিএনপি নেতা ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতাকে বরিশাল জেলা কমিটির ফুলেল শুভেচ্ছা বরিশালে হঠাৎ করেই ডায়রিয়ার প্রকোপ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি বরিশালের সাইলো চালু না হওয়ায় বাড়ছে ব্যাপক জনদুর্ভোগ ও ক্ষোভ বরিশের ভাইরাল শান্ত সাইকেল চুরি করার সময় হাতেনাতে আটক কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ওপর বর্বরোচিত হামলা বরিশালের মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করার যুবককে মারধর মাদ্রাসা ও এতিমখানার জমি দখলের অভিযোগে পিতা ও দুই পুত্র কারাগারে

৩৩২ কোটির আধুনিক চাল সংরক্ষণাগার অচল: উদ্বোধনের এক বছরেও নেই কোনো সুফল

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
চাল সংরক্ষণাগার অচল

৩৩২ কোটির আধুনিক চাল সংরক্ষণাগার অচল: উদ্বোধনের এক বছরেও নেই কোনো সুফল

দুর্যোগের সময় দক্ষিণাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বরিশালে ৩৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল অত্যাধুনিক চাল সংরক্ষণাগার। তবে উদ্বোধনের এক বছর পার হলেও এটি এখনো চালু করা যায়নি।

নানা সমস্যা ও চরম সমন্বয়হীনতায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে ৪৮ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার এই মেগা সাইলোটি। বরিশাল নগরের ৩০ গোডাউন এলাকায় কীর্তনখোলা নদীর তীরে এটি অবস্থিত।

জেটির সামনে তীব্র নাব্যতার সংকট ও অচল নৌপথ

গত বছরের ১০ আগস্ট উদ্বোধনের পর এখানে মূলত একসাথে ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল সংরক্ষণের পরিকল্পনা ছিল। সেই লক্ষ্যে সেখানে ১৬টি বিশাল বিন বা পাত্র নির্মাণ করা হয়।

কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, এই আধুনিক সাইলোর ১৫টি বিনি বর্তমানে পুরোপুরি ফাঁকা পড়ে রয়েছে। এখন সাইলোটিতে মজুদ রয়েছে মাত্র চার শতাধিক মেট্রিক টন চাল।

কীর্তনখোলা নদীতে নবনির্মিত জেটির সামনে তীব্র নাব্যতার সংকট থাকায় নৌপথটি এখন সম্পূর্ণ অচল রয়েছে। এর ফলে আজ পর্যন্ত কোনো মালবাহী জাহাজ এখানে নোঙর করতে পারেনি।

নিরাপত্তা সংকট ও আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তার বক্তব্য

বিশাল এই রাষ্ট্রীয় সম্পত্তিতে বর্তমানে স্থায়ী কোনো নিরাপত্তা বা প্রহরীর ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে দিনের কাজ শেষে রাতের আঁধারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরই পালাক্রমে পাহারা দিতে হচ্ছে।

বরিশাল সাইলোর ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক রাকেশ বিশ্বাস বলেন, “বিআইডব্লিউটিএ ড্রেজিং করে দিলে এখানে সহজেই জাহাজ আসতে পারবে। তখন আমরা চাল গ্রহণ ও ডেলিভারি দেওয়া শুরু করব।”

বরিশাল আঞ্চলিক খাদ্য কর্মকর্তা নকীব সাদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয় চাল রাখার বিষয়ে এখনো অধিদপ্তরের কোনো নির্দেশনা নেই। তবে খুব শীঘ্রই আমরা সাইলোটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করব।”

আরও পড়ুন: কীর্তনখোলা নদীর নাব্যতা সংকট ও বরিশাল নৌবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102