প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল | প্রিয় বরিশাল বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখন বিপজ্জনক মরণ ফাঁদ গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম

বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১
বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল

মানব পাচার মামলার রায়ে দুইজনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদ- এবং পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের দ- দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শেষ কার্যদিবসে বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মঞ্জুরুল হোসেন তিন আসামির উপস্থিতিতে এবং এক আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন জেলার মুলাদী উপজেলার কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল সরদার এবং ঢাকার বনানীর একটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিক আনিছুর রহমান। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন দ-প্রাপ্ত জলিল সরদারের স্ত্রী রাশিদা বেগম এবং বোন জেসমিন আক্তার।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে মুলাদীর কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল পার্শ্ববর্তী খালাসির চর এলাকার আবুল কালাম ওরফে মিজানুর রহমানকে পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে লিবিয়া পাঠানোর কথা বলে সুদান পাঠিয়ে দেয়। সেখানে পৌঁছে বাংলাদেশীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬৫ জনকে বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান আবুল কালাম। সেখান থেকে ট্রাকে করে সাতদিন সাতরাত অবৈধভাবে তাকেসহ অন্যদের লিবিয়া পাঠানো হয়। লিবিয়া পৌঁছার পর আবুল কালামের পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হলে লিবিয়া পুলিশ আবুল কালামকে গ্রেফতার করে। একপর্যায়ে লিবিয়ায় কর্মরত মুলাদীর আব্দুল বারেক খান তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। দেশে ফিরে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর আবুল কালাম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে বরিশাল আদালতে একটি মামলা করেন।

আদালত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের জন্য মুলাদী থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়। ২০১৬ সালের ৩০ নবেম্বর মুলাদী থানার এসআই ফারুক হোসেন খান চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়। মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। বাদী পক্ষে এপিপি কাইয়ুম খান কায়সার এবং আসামিপক্ষে হুমায়ুন কবির মামলা পরিচালনা করেন। এ নিয়ে বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে অবৈধ মানব পাচারের তিনটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102