প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল | প্রিয় বরিশাল বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
নাগরিক ভোগান্তি কমাতে বিসিসি’র বড় উদ্যোগ: চালু হলো ‘আমাদের বরিশাল’ ফেসবুক গ্রুপ চাঁদমারির মনোয়ারা হোটেল রান্নায় ব্যবহার করছে ‘ম্যাজিক মসলা’: বাড়ছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি! নাগরিক দাবি: সাধারণ বরিশালবাসীর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের জন্য উন্মুক্ত হোক ডিসি লেক ও শতবর্ষী ‘পদ্মপুকুর’ দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুফতী সৈয়দ এছহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৈয়দ রিয়াজুল করিম সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই সাবেক শিক্ষার্থী ঝালকাঠিতে বিস্ফোরক ও ভাঙচুর মামলায় জর্দা শামীম ও তার ভাই কারাগারে দেশ থেকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করার দাবি যাত্রী সেবা কল্যাণ সমিতির বিসিসির ২৫ নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর ও তাদের স্বজনদের নির্বাচনী তোড়জোড় শিশু রামিসা হত্যাকারীর ফাঁসি ও নিরাপদ ঈদুল আজহার দাবিতে কাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে মানববন্ধন

বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১
বরিশালে মানব পাচার মামলায় দুই জনের সাত বছর করে জেল

মানব পাচার মামলার রায়ে দুইজনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদ- এবং পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের দ- দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার শেষ কার্যদিবসে বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মঞ্জুরুল হোসেন তিন আসামির উপস্থিতিতে এবং এক আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দ-প্রাপ্তরা হলেন জেলার মুলাদী উপজেলার কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল সরদার এবং ঢাকার বনানীর একটি ট্রাভেল এজেন্সির মালিক আনিছুর রহমান। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন দ-প্রাপ্ত জলিল সরদারের স্ত্রী রাশিদা বেগম এবং বোন জেসমিন আক্তার।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে মুলাদীর কাজীরচর এলাকার আব্দুল জলিল পার্শ্ববর্তী খালাসির চর এলাকার আবুল কালাম ওরফে মিজানুর রহমানকে পাঁচ লাখ টাকার চুক্তিতে লিবিয়া পাঠানোর কথা বলে সুদান পাঠিয়ে দেয়। সেখানে পৌঁছে বাংলাদেশীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬৫ জনকে বিপদগ্রস্ত অবস্থায় দেখতে পান আবুল কালাম। সেখান থেকে ট্রাকে করে সাতদিন সাতরাত অবৈধভাবে তাকেসহ অন্যদের লিবিয়া পাঠানো হয়। লিবিয়া পৌঁছার পর আবুল কালামের পরিবারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হলে লিবিয়া পুলিশ আবুল কালামকে গ্রেফতার করে। একপর্যায়ে লিবিয়ায় কর্মরত মুলাদীর আব্দুল বারেক খান তাকে পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্ত করে দেশে পাঠিয়ে দেয়। দেশে ফিরে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর আবুল কালাম বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে বরিশাল আদালতে একটি মামলা করেন।

আদালত অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের জন্য মুলাদী থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়। ২০১৬ সালের ৩০ নবেম্বর মুলাদী থানার এসআই ফারুক হোসেন খান চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ২০১৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করা হয়। মামলায় নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক। বাদী পক্ষে এপিপি কাইয়ুম খান কায়সার এবং আসামিপক্ষে হুমায়ুন কবির মামলা পরিচালনা করেন। এ নিয়ে বরিশাল মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে অবৈধ মানব পাচারের তিনটি মামলার রায় ঘোষণা হয়েছে।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026,
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102