বরিশালের নদী তীরগুলোতে এখন জেলেদের ব্যস্ত সময় কাটছে জাল বোনা ও নৌকা মেরামতে। মা ইলিশ রক্ষায় চলা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার জেলে। ভোলা জেলায় কর্মহীন জেলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় দুই লাখের কাছাকাছি। জেলার ঊনসত্তরটি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র আটটিতে চাল বিতরণ শুরু হয়েছে। বাকি একষট্টি ইউনিয়নের জেলেরা এখনো সরকারি খাদ্য সহায়তার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন। জীবন বাঁচাতে চালের পাশাপাশি তেল, নুন ও নগদ অর্থ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন অসহায় জেলেরা। বরগুনা ও পটুয়াখালীতেও সমুদ্রে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে জেলেদের মাথায় ঋণের বোঝা চেপেছে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর তিন দিন পার হলেও অনেকেই এখনো সরকারি কোনো চাল পাননি। পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও অনাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
মা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ। ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ বলেন, ছাব্বিশে অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. কামরুল হাসান জানান, নিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ইতোমধ্যে বরাদ্দকৃত চাল বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দ্রুতই সব ক্ষতিগ্রস্ত জেলের ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
এই সংবাদ আরো পড়তে ভিজিট করুন: www.priyobarishal.com