আজ সোমবার সকালে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় সবজির বাজারে শুরু হয়েছে নতুন কর্মচাঞ্চল্য। শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় জমে উঠেছে বরিশালের বহুমুখী সিটি পাইকারি বাজার।
পাইকারি এই বাজারে ভোররাত থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্তের বিভিন্ন এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে গোটা জেলার সবজির মূল যোগান আসছে মূলত এখান থেকেই।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক বোঝাই সবজি নিয়ে আসে। দক্ষিণাঞ্চলের মেহেরপুর জেলা থেকে প্রতিদিন ট্রাকভর্তি তাজা সবজি নিয়মিত এই বাজারে আসে।
সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা থেকেও বিপুল পরিমাণ শীতকালীন সবজির চালান প্রবেশ করছে এখানে। এছাড়া ভোলার উপকূলীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন নৌপথে এই বাজারে সবজি পাঠানো হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ ও বরগুনা জেলা থেকেও নৌপথে কাঁচা সবজি আসে এই পাইকারি আড়তে। প্রতি রাতে ভোর তিনটায় এই বিশাল বাজারটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় মূল বেচাকেনা।
ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আজকের বাজারে ফুলকপির পাইকারি দাম বেশ সন্তোষজনক রয়েছে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশ টাকায়।
বাজারে এখন বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ টাকা দরে। তাজা লেবুর হালি পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে ত্রিশ থেকে চল্লিশ টাকা পর্যন্ত।
বাজারে দেশি টমেটোর কিছুটা সংকট থাকায় দাম অন্যান্য সবজির তুলনায় কিছুটা বেশি। বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি তাজা দেশি টমেটো বিক্রি হচ্ছে আশি টাকা দরে।
প্রতি কেজি কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে মাত্র দশ টাকা দরে পাইকারি বাজারে। বাজারে এখন নতুন পটল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে কুড়ি থেকে পঁচিশ টাকায়।
করলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি দরে মাত্র চল্লিশ টাকা করে বাজারে। সবুজ বরবটি প্রতি কেজি পাইকারি বাজারে বিক্রি হচ্ছে পঁয়ত্রিশ থেকে চল্লিশ টাকায়।
টাটকা বেগুন বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি দরে পঞ্চাশ টাকা করে বাজারে। পাইকারি বাজারে ঢ্যাঁড়শ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে পনেরো থেকে কুড়ি টাকা দরে।
ঝাল কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পঞ্চাশ থেকে ষাট টাকা দামে। সুস্বাদু সবুজ শসা বাজারে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি চল্লিশ টাকা দরে।
নতুন সাদা মূলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি বাজারে পঁচিশ টাকা দরে। শীতের নতুন সিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি বাজারে ষাট টাকা দামে।
তাজা ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি পাইকারি আশি টাকা দরে বাজারে। বর্তমান শীতকালীন বিভিন্ন শাকের পাইকারি বাজারেও রয়েছে ক্রেতাদের ব্যাপক চাহিদা ও জোগান।
পুষ্টিকর লাল শাক প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে পনেরো থেকে কুড়ি টাকা দরে। সবুজ পালং শাক প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে কুড়ি থেকে পঁচিশ টাকা দরে।
এই পাইকারি বাজার থেকে গোটা বরিশাল জেলায় সবজির সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়। সাধারণ ক্রেতারা বলছেন দাম আরও কিছুটা কমলে সাধারণ মানুষের অনেক স্বস্তি মিলবে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন সামনে সবজির উৎপাদন বাড়লে দাম আরও নিচে নামবে। এই ধরনের আরও আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ পড়তে নিয়মিত ভিজিট করুন www.priyobarishal.com পোর্টাল।