দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ রক্ষায় বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে প্রতিবছর। কিন্তু সরকারের শতকোটি টাকা খরচ হলেও কাঙ্ক্ষিত নাব্যতা ফিরে পাচ্ছে না নদীগুলো।
বিশেষজ্ঞ মহলের মতে ড্রেজিংয়ের নামে জ্বালানি তেল চুরি ও অনিয়মের মহোৎসব চলছে বর্তমানে। ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন উর রশীদের বিরুদ্ধে উঠেছে গুরুতর এসব অভিযোগ।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি ড্রেজিং প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থ চলে যাচ্ছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেটের পকেটে। তবে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংবাদিকদের কাছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী বর্তমান ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গেই পরিচালিত হচ্ছে মাঠপর্যায়ে। যদিও লঞ্চমালিক সমিতির নেতারা বলছেন অপরিকল্পিত খননের কারণে নদীগুলোতে স্থায়ী গভীরতা বাড়ছে না কোনোভাবেই।
এই সংবাদ আরও পড়তে ভিজিট করুন: এই সংবাদ আরো পড়তে ভিজিট করুন