বরিশালের সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. জাহিদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে মোট চারজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন নাহিদ হাসান, মো. মিরাজুল ইসলাম ও ফাতেমা আক্তার নুরজাত। ঘটনাস্থল থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। আটককৃতদের ডোপ টেস্ট বর্তমানে চলমান রয়েছে। পজিটিভ আসলে সামারি ট্রায়াল দেওয়া হবে।
অভিযানের সময় এক পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। তিনি নিজেকে এয়ারপোর্ট থানার এএসআই পরিচয় দেন। তার নাম মো. দেলোয়ার হোসেন। তিনি সেখানে উপস্থিত থাকার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। পরে তাকে এয়ারপোর্ট থানার ওসির জিম্মায় দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ থানা থেকে তিনি চলে যান। থানা সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এএসআই দেলোয়ারের চলে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে দেলোয়ার পালাননি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর সততার মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে, বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়ার পর পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে এয়ারপোর্ট থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহর নির্দেশক্রমে তার বিরুদ্ধে এ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার।
এই সংবাদ আরো পড়তে ভিজিট করুন www.priyobarishal.com