বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণ ছাড়িয়ে যে পথটি চলে গেছে অজানার উদ্দেশ্যে, তারই নাম ভোলা রাস্তা। প্রথম দর্শনেই এই রাস্তাটি যে কাউকে মুগ্ধ করে।
ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি আর কোলাহল ছেড়ে এখানে পা রাখলেই মনে হয় সময় যেন থমকে দাঁড়িয়েছে। পিচঢালা এই পথের দুপাশে দাঁড়িয়ে আছে সারি সারি মায়াবী বৃক্ষরাজি।
বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এই ভোলা রোডটি মূলত এক অন্যরকম সৌন্দর্যের জায়গা। হালকা বাতাসে পাতার মরমর ধ্বনি আর পাখিদের কলকাকলি এখানে সবসময় মুগ্ধতা ছড়ায়।
ছুটির দিনে শহরের কোলাহল থেকে মুক্তি পেতে মানুষ এই শান্ত পরিবেশ বেছে নেয়। একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাদের সুন্দর মুহূর্তগুলো কাটাতে এখানে আসেন।
তবে দর্শনার্থীরা জানান, পরন্ত বিকেলে সবচেয়ে মোহনীয় দৃশ্য তৈরি হয়। বিকালের সোনাঝরা রোদ যখন গাছের পাতার ফাঁক গলে রাস্তায় পড়ে, তখন তৈরি হয় আলোছায়ার খেলা।
সৌন্দর্যের পাশাপাশি এই রাস্তায় কিছু সমস্যার কথাও জানিয়েছেন ঘুরতে আসা শিক্ষার্থীরা। মূলত সন্ধ্যার পর এই এলাকায় আর কোনো নিরাপত্তা থাকে না বলে তাদের দাবি।
রাস্তার দুই পাশে কোনো সড়ক বাতি বা বিদ্যুতের ব্যবস্থা না থাকায় রাতে অন্ধকার নেমে আসে। ফলে এখানে আসা কাপলসহ সাধারণ দর্শনার্থীদের মনে এক ধরনের ভয় কাজ করে।
যদি রাস্তার প্রতিটি খুঁটিতে লাইট দেওয়া হয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, তবে স্থানটি আরও সুন্দর হবে। ভোলা রাস্তা মূলত প্রতিটি শিক্ষার্থীর হৃদয়ে গাঁথা এক টুকরো নস্টালজিয়া।
আরও পড়ুন: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য বসন্ত উৎসব উদযাপন