প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে মেহেন্দিগঞ্জে ৪৫০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ দুর্গের সন্ধান, রয়েছে রহস্যময় সুড়ঙ্গ | প্রিয় বরিশাল মেহেন্দিগঞ্জে ৪৫০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ দুর্গের সন্ধান, রয়েছে রহস্যময় সুড়ঙ্গ | প্রিয় বরিশাল
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চরম উদাসীনতা

মেহেন্দিগঞ্জে ৪৫০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ দুর্গের সন্ধান, রয়েছে রহস্যময় সুড়ঙ্গ

মেহেন্দিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬
মেহেন্দিগঞ্জে ৪৫০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ দুর্গের সন্ধান

মেহেন্দিগঞ্জে ৪৫০ বছরের পুরনো পর্তুগিজ দুর্গের সন্ধান, রয়েছে রহস্যময় সুড়ঙ্গ

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইয়ারব্যাগ গ্রামে এক প্রাচীন পাকাবাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি এই দ্বিতল ভবনটি মূলত পর্তুগিজদের দুর্গ বলে পরিচিত।

মেঘনা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই ভবনের বয়স প্রায় ৪৫০ বছর। প্রাচীন স্থাপত্য শৈলী ও রহস্যময় সুড়ঙ্গের কারণে এটি দর্শনার্থীদের কাছে আজও আকর্ষণীয়।

প্রাচীন প্রাচীর ও অলৌকিক গল্পকথা

জঙ্গল বেষ্টিত এই দ্বিতল ভবনটিতে মোট ছয়টি কক্ষ রয়েছে। একই সাথে এর চারদিকে আগে ১০ ফুট উচ্চতার শক্ত প্রাচীর ছিল।

প্রাচীন এই পাকা ভবনটি নিয়ে এলাকায় নানাবিধ অলৌকিক গল্পকথা প্রচলিত রয়েছে। তবে ভবনটির কিছু অংশ গুঁড়িয়ে বর্তমানে সেখানে স্থানীয় হাওলাদার বংশীয়রা বসতি গড়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, এই বিল্ডিংটি ব্রিটিশরা আসারও অন্তত ১০০ বছর আগে তৈরি হয়েছিল। এখানে একসময় পর্তুগিজ জলদস্যুদের নিয়মিত যাতায়াত এবং বসবাস ছিল।

সুড়ঙ্গ পথ ও পর্তুগিজদের আলামত

ভবনটির সিঁড়ির কোঠায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের জন্য গোলাকার ছোট ছিদ্র রয়েছে। এর ফলে এটি যে সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হতো, তা স্পষ্ট বোঝা যায়।

এখানে একটি সুড়ঙ্গ পথ এবং দিঘির পাড়ে আনারস বাগানের উপস্থিতি রয়েছে। মূলত এই নিদর্শনগুলোর কারণেই স্থানীয়রা এটিকে পর্তুগিজদের দুর্গ মনে করেন।

সিঁড়ির নিচের সুড়ঙ্গটি অনেক গভীরে চলে গেছে। প্রাচীন এই সুড়ঙ্গটি মূলত দিঘি এবং ভেতরের রাস্তার দিকে যাতায়াতের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে অ্যাসাইনমেন্ট জমা

মেহেন্দিগঞ্জের একজন সংবাদকর্মী জানান, প্রাচীন এই স্থাপনা নিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল কাজ করেছে। অধ্যাপক জুলকারনাইন তার টিম নিয়ে এখানে এসেছিলেন।

তারা এই ঐতিহাসিক পাকাবাড়ির ওপর ইতোমধ্যে একটি বিশেষ অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করেছেন। একই সাথে সেই প্রতিবেদনটি তারা প্রত্নতত্ত্ব বিভাগেও দাখিল করেছেন।

এদিকে বরিশাল জাদুঘরের সহকারী কাস্টোডিয়ান আরিফুর রহমান জানান, তিনি স্থানটি সরজমিনে পরিদর্শনে যাবেন। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব থাকলে তা অধিদপ্তরকে জানানো হবে।

সরকার থেকে সিদ্ধান্ত হলে তারা প্রাচীন স্থাপনাটি সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রত্নতাত্ত্বিক তাৎপর্য থাকলে এটি সংরক্ষণের জন্য দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

আরও পড়ুন: বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ও প্রাচীন দর্শনীয় স্থানসমূহ

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102