জনপ্রতিনিধি কিংবা পদপদবি থাকলেই নেতা হওয়া যায় না। কর্মীর আপদ-বিপদে পাশে থাকাটাই হলো নেতার আসল বৈশিষ্ট। সেই কাজটি করে দেখালেন বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ বয়সী বরিশাল সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলামের বশত ঘড় অগ্নিকান্ডে ভষ্মিভুত হওয়ার খবর শুনে তিনি ছুটে যাঁন। এসময় সাথে ছিলেন তাঁর সহধর্মীনি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য লিপি আব্দুল্লাহ। পরিদর্শনকালে মেয়র ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে নতুন ভবন নির্মানসহ সকল সহযোগির আশ্বাস দেন। এতে প্রাণ ফিরে পান ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম, সাইদুর রহমান জাকির, নগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার রাজিব, প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, কোষাধ্যক্ষ তৌহিদুল ইসলাম।
রাজনীতির শুর” থেকেই অসহায় মানুষের পাশে সর্ব শক্তি দিয়ে দাড়ানো এবং মাদক সন্ত্রাস চাদাবাজ দুর্নীতিবাজদের বির”দ্ধে কঠোর অবস্থানে থেকে নিজেকে জনগনের সেবক হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। নগরীর যেখানেই নেতা কর্মিরা অসহায় হয়ে পরেন সেখানেই মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ হাজির। এভাবে শত শত নিদর্শন আছে তার। কর্মিদের অসুখ বিসুখ বিপদে- আপদে দৌড়ে গিয়ে নিজ উদ্যোগে প্রম ও অর্থ দিয়ে অসহায়দের পাশে দাড়ানো মেয়র সাদিক আবদুল্লার একটা অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে । এটা অবশ্য পারিবারিক ভাবেই তাদের চার পুর”ষের ঐতিহ্য। কর্মি প্রেমের কারিগর সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। যা আগে কখনো বরিশালের মানুষ দেখেনি। জনগনের সুখে দুঃখে পাশের মানুষটির নাম মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ।