ঝালকাঠিতে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ভাঙচুর আইনের পৃথক দুই মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল ২৩ মে (শনিবার) দুপুরে ঝালকাঠি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এস এম কবির হোসেন এই নির্দেশ দেন। মূলত, আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন কেন্দ্রীয় মোটর শ্রমিক লীগের সহ-সভাপতি ও ঢাকা উত্তর তাঁতী লীগের সাবেক সভাপতি শামীম আহমেদ ওরফে ‘জর্দা শামীম’। একই সাথে, তাঁর আপন ছোট ভাই ও ঝালকাঠি আওয়ামী লীগের নেতা আরিফুর হককেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে অবৈধ অস্ত্র লেনদেনের বিষয়ে আরিফুর হকের একটি অডিও কথোপকথন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।
মামলা দুটির বিবরণ ও পটভূমি
আদালত সূত্র থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ঝালকাঠি পৌর এলাকার জেলা আইনজীবী সমিতির পেছনে একটি বিস্ফোরক দ্রব্য সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. শাহাদাৎ হোসেনের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের আরেকটি ঘটনা ঘটে। মূলত, এই পৃথক দুই মামলায় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ওই দুই মামলায় গতকাল আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করেন।
রংপুরে মাদকসহ আটক ও ছাত্র হত্যা মামলা
এর আগে গত ৬ মে রাতে রংপুরের কোতোয়ালী থানা পুলিশ শাহী জর্দা কোম্পানি অফিস সংলগ্ন এলাকা থেকে ৬ ক্যান বিয়ারসহ জর্দা শামীম ও তার ভাই আরিফকে আটক করে। পরবর্তীতে, ঢাকার একটি ছাত্র হত্যা মামলায়ও তাদের শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। একই ধারাবাহিকতায়, ঝালকাঠির বিস্ফোরক ও ভাঙচুর মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে তাদের ঝালকাঠিতে আনা হয়। মূলত, বিস্ফোরক মামলার বাদী জেলা মহিলা দলের নেত্রী শারমীন লেলিন মুক্তা এবং ভাঙচুর মামলার বাদী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এডভোকেট মো: শাহাদাৎ হোসেন।
আরও পড়ুন: ঝালকাঠি ও বরিশালের সমসাময়িক অপরাধ এবং আদালতের সর্বশেষ খবর