প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে ৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ | প্রিয় বরিশাল ৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ | প্রিয় বরিশাল
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
মাস্টার প্ল্যান উপেক্ষা করায় বসবাসের যোগ্যতা হারাচ্ছে বরিশাল শহর বরিশালের মানুষের স্বভাব নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী নাঈমা আলম মাহা ৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ ভূতুড়ে বাড়ি যেন কমিউনিটি ক্লিনিক: চরম ঝুঁকিতে বরিশালের স্বাস্থ্যসেবা বরিশালে ব্যবসায়ীর ওপর নির্যাতন:  রিহ্যাব সভাপতির সংবাদ সম্মেলন বরিশালে মানতা শিশুদের জন্য বেদে পাঠশালা হুমকিতে বরিশালের আড়াইশো বছরের পুরনো দুর্গাসাগর দিঘি বরিশালে ব্যবসায়ীকে জিম্মি : যুবদল নেতা দাবি করা লিটু গ্রেপ্তার বরিশালে থামছে না মাদক কারবার আন্তর্জাতিক রূপ পাচ্ছে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়াম

৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

৯৪ কোটি টাকার আধুনিক টার্মিনাল: নৌপথের নাব্যতা সংকট দূর না হলে অর্থহীন

বরিশালে ৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাল্টিপারপাস লঞ্চ টার্মিনাল এখন উদ্বোধনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশা, বিমানবন্দরের মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই টার্মিনালের কারণে নৌপথে যাত্রী ফিরবে। তবে লঞ্চচালকরা বলছেন, নদীপথের মূল সমস্যা নাব্যতা সংকট দূর করা সবচেয়ে জরুরি।

পদ্মা সেতু চালুর পর বরিশাল-ঢাকা নৌপথে যাত্রী সংকটে তীব্র মন্দা পরিস্থিতি চলছে। পাঁচ বছর আগেও প্রতিদিন অন্তত ১০টি লঞ্চে ১০ হাজার যাত্রী পারাপার হতো। তবে চরম এই মন্দাতেও চালু হতে যাচ্ছে সুবিশাল মাল্টিপারপাস লঞ্চ টার্মিনাল ভবন।

নান্দনিক এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে প্রায় ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক এই টার্মিনালে চেকপয়েন্ট, স্ক্যানিং মেশিন ও ভিআইপি লাউঞ্জের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই ভবনে নদীবন্দরের সব প্রশাসনিক সেবা চলে আসায় যাত্রী ভোগান্তি কমবে।

লঞ্চ চালকদের চরম ক্ষোভ ও অপউন্নয়নের বিস্ফোরক অভিযোগ

লঞ্চ মালিক আর চালকরা একে স্রেফ শুভঙ্করের ফাঁকি বলে মন্তব্য করেছেন। বাবুগঞ্জ, কালীগঞ্জ, শাওড়া বা হিজলার মূল নৌপথের ড্রেজিং করা বেশি জরুরি ছিল। নদী খনন না করে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন তৈরি অর্থহীন।

সংশ্লিষ্টরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভবন বানালেও আমাদের লঞ্চের কী পরিস্থিতি, সেই খবর কেউ নিচ্ছে না।” নদীপথ সচল না থাকলে এই দৃশ্যমান উন্নয়ন এক ধরণের অপউন্নয়নের সমতুল্য। ঠিকাদারদের লাভের জন্যই এই বিলাসবহুল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

প্রকল্পের কাজ মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ফ্লোর পরিবর্তনসহ কিছু নকশা সংশোধনের কারণে সময় কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কীর্তনখোলার তীরে নির্মিত নান্দনিক এই ভবনটি আগামী জুন-জুলাই নাগাদ চালু হতে পারে।

নাব্যতা দূর করে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখার জোরালো দাবি

বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আধুনিক পরিবেশের কারণে যাত্রীরা আবারও নৌপথেই ফিরে আসবে। লেটেস্ট ও গুণগত মানের মেটেরিয়ালস ব্যবহার করে এই আন্তর্জাতিক মানের টার্মিনাল সাজানো হয়েছে। তবে কেবল চটকদার অবকাঠামো নয়, বরং নৌপথের নাব্যতা সংকট দূর করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন: বরিশালে নৌপথের ড্রেজিং কার্যক্রমে স্থবিরতা, ডুবোচরের কারণে লঞ্চ চলাচলে চরম বিঘ্ন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026,
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102