প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে ৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ | প্রিয় বরিশাল ৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ | প্রিয় বরিশাল
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চরম উদাসীনতা

৯৪ কোটির আধুনিক টার্মিনাল বরিশালে: নাব্যতা সংকট নিয়ে চালকদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

৯৪ কোটি টাকার আধুনিক টার্মিনাল: নৌপথের নাব্যতা সংকট দূর না হলে অর্থহীন

বরিশালে ৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মাল্টিপারপাস লঞ্চ টার্মিনাল এখন উদ্বোধনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। কর্তৃপক্ষের আশা, বিমানবন্দরের মতো আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই টার্মিনালের কারণে নৌপথে যাত্রী ফিরবে। তবে লঞ্চচালকরা বলছেন, নদীপথের মূল সমস্যা নাব্যতা সংকট দূর করা সবচেয়ে জরুরি।

পদ্মা সেতু চালুর পর বরিশাল-ঢাকা নৌপথে যাত্রী সংকটে তীব্র মন্দা পরিস্থিতি চলছে। পাঁচ বছর আগেও প্রতিদিন অন্তত ১০টি লঞ্চে ১০ হাজার যাত্রী পারাপার হতো। তবে চরম এই মন্দাতেও চালু হতে যাচ্ছে সুবিশাল মাল্টিপারপাস লঞ্চ টার্মিনাল ভবন।

নান্দনিক এই মেগা প্রকল্পের নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে প্রায় ৯৫ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। আধুনিক এই টার্মিনালে চেকপয়েন্ট, স্ক্যানিং মেশিন ও ভিআইপি লাউঞ্জের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই ভবনে নদীবন্দরের সব প্রশাসনিক সেবা চলে আসায় যাত্রী ভোগান্তি কমবে।

লঞ্চ চালকদের চরম ক্ষোভ ও অপউন্নয়নের বিস্ফোরক অভিযোগ

লঞ্চ মালিক আর চালকরা একে স্রেফ শুভঙ্করের ফাঁকি বলে মন্তব্য করেছেন। বাবুগঞ্জ, কালীগঞ্জ, শাওড়া বা হিজলার মূল নৌপথের ড্রেজিং করা বেশি জরুরি ছিল। নদী খনন না করে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ভবন তৈরি অর্থহীন।

সংশ্লিষ্টরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ভবন বানালেও আমাদের লঞ্চের কী পরিস্থিতি, সেই খবর কেউ নিচ্ছে না।” নদীপথ সচল না থাকলে এই দৃশ্যমান উন্নয়ন এক ধরণের অপউন্নয়নের সমতুল্য। ঠিকাদারদের লাভের জন্যই এই বিলাসবহুল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

প্রকল্পের কাজ মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে ফ্লোর পরিবর্তনসহ কিছু নকশা সংশোধনের কারণে সময় কিছুটা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কীর্তনখোলার তীরে নির্মিত নান্দনিক এই ভবনটি আগামী জুন-জুলাই নাগাদ চালু হতে পারে।

নাব্যতা দূর করে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রাখার জোরালো দাবি

বন্দর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আধুনিক পরিবেশের কারণে যাত্রীরা আবারও নৌপথেই ফিরে আসবে। লেটেস্ট ও গুণগত মানের মেটেরিয়ালস ব্যবহার করে এই আন্তর্জাতিক মানের টার্মিনাল সাজানো হয়েছে। তবে কেবল চটকদার অবকাঠামো নয়, বরং নৌপথের নাব্যতা সংকট দূর করার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

আরও পড়ুন: বরিশালে নৌপথের ড্রেজিং কার্যক্রমে স্থবিরতা, ডুবোচরের কারণে লঞ্চ চলাচলে চরম বিঘ্ন

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102