প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে ‘স্টিভেন জনসন সিনড্রোম’ রোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু | প্রিয় বরিশাল ‘স্টিভেন জনসন সিনড্রোম’ রোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু | প্রিয় বরিশাল
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন

‘স্টিভেন জনসন সিনড্রোম’ রোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১
‘স্টিভেন জনসন সিনড্রোম’ রোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের মৃত্যু

‘স্টিভেন জনসন সিনড্রোম’ নামক বিরল এক রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মাহদী। তিনি ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগে ৪র্থ বর্ষে অধ্যায়নরত ছিলেন।

ঢাকার ফ্রেন্ডশিপ স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) ভোরে তার মৃত্যু হয়। আবদুল্লাহ আল মাহদীর বাড়ি সিলেটের মৌলভীবাজার।

তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ছাদেকুল আরেফিন

আবদুল্লাহ আল মাহদীর বন্ধু মিসাল বিন সলিম জানান, ৬-৭ দিন আগে ঠান্ডা, জ্বর, চোখ লাল আর শরীরে ফোসকা পড়া শুরু হয়েছিলো। ডাক্তার দেখানোর পরে পক্স হিসেবে আইডেন্টিফাই করছে। সেভাবেই চিকিৎসা চলছিল। কিন্তু পরের দিন থেকে জ্বর বাড়তে শুরু করে, শরীরে ফোসকার পরিমানও বেড়ে যায়। ১০৩-৪ ডিগ্রি জ্বর থাকার কারণে জামালপুর মেডিকেলে নেওয়া হয়েছিলো। সেখানে ইমার্জেন্সি ডাক্তার পক্স হিসেবেই আইডেনটিফাই করেছে। পরে সেই অনুযায়ী ট্রিটমেন্ট দিয়ে রিলিজ দিয়েছিলো। রাতে আবার ১০৪/৫ ডিগ্রি জ্বর।

ডাক্তারের সাথে আলাপ করে ঢাকা আনা হয়। ঢাকায় অনেক হাসপাতাল ঘোরাঘুরির পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফ্রেন্ডশিপ স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের আইসিইউতে এডমিট করা হয়। তখন ডাক্তার নিবির পর্যবেক্ষণ করে বলেন এই রোগ স্টিভেন জনসন সিনড্রোম। খুব দ রেয়ার একটা রোগ। জ্বিনগত সমস্যার কারনে মাঝে মাঝে হয়। আর লক্ষণ অনেকটাই পক্স এর মত তাই সহজে আইডেন্টিফাই করা যায়না।

জানা গেছে, স্টিভেন জনসন সিনড্রোম তীব্র প্রতিক্রিয়া সম্বলিত (hypersensitivity) একটি বিরল রোগ, যাতে সাধারণত এক মিলিয়নে ২-৭ জন ব্যক্তি আক্রান্ত হন। এতে ত্বক ও মিউকাস ঝিল্লি আক্রান্ত হয়। দেহের চামড়া, ঠোঁট, মুখ গহ্বর, কণ্ঠ, অন্ত্র, পায়ু, মূত্রনালি, চোখ ইত্যাদি সবকিছুই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া ফোসকা পড়ে যায়। জীবাণু সংক্রমণও হতে পারে।

শরীরের বাইরে যতটা আক্রান্ত দেখা যায়, এ রোগে ভেতরেও তেমন আক্রান্ত হয়। কয়েক দিনের মধ্যে বিভিন্ন অঙ্গ যেমন- কিডনি, ফুসফুস, যকৃত অকেজো হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হতে পারে।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026,
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102