গত কিছুদিন ধরে আওয়ামী লীগের কিছু নেতা তাদের মন্তব্যের জন্য আলোচিত হচ্ছেন। স্থানীয় সরকারের পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ভাই কাদের মির্জা স্থানীয় নেতা এমপি ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কড়া সমালোচনা শুরু করেন। সেই থেকে শুরু করে লাগার কথার মালায় আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের ঘটনা ঘটতে থাকে। একে একে যুক্ত হন এমপি নিক্সন চৌধুরী, সংসদ সদস্য একরামুল করিম।
একপর্যায়ে এমপি একরামুল করিম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের পরিবারকে রাজাকারের পরিবার বলে মন্তব্য করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন। যদিও এই বিষয়ে এমপি একরামুল করিম ক্ষমা চেয়েছেন।
এরপর আওয়ামী লীগের আরেক সংসদ সদস্য স্থানীয় পৌরসভা প্রচারণা করতে গিয়ে এক বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসছেন। রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি বাধাইড়ের জনসভায় আলোচিত ওই বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের ভোট রক্ষা করার জন্য লাঠি দিয়ে পাহারা দিয়েছিলাম। এবারও আমাদের জনগণের ভোট রক্ষা করার জন্য সেই রকম ‘লাঠি থিওরি’ নিতে হতে পারে। অথবা কেউ যদি খারাপ ব্যবহার করে বা চোখ রাঙায়, তাইলে আপনাদের লাঠি দিয়ে আপনাদের রক্ষা করবেন।’
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের একজন শীর্ষ নেতা বলেন, কিছু নেতার বক্তব্যের দায় আওয়ামী লীগ নেবে না। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন ও দলীয় কর্মকাণ্ড দিয়ে নির্বাচনে জয়ী হচ্ছে। এসব নেতাদের বক্তব্যর বিষয়গুলো দলীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা বাড়ছে কিন্তু কিছু নেতার বক্তব্য আওয়ামী লীগের জন্য বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে। তারা কোথায় কি বলছেন সেটা বুঝতে পারছেন না। অনেকে আলোচনায় আসার জন্য এসব বক্তব্য দিয়ে আলোচনার খোড়াক হচ্ছেন যা আওয়ামী লীগের জন্য বিব্রতকর।