বরিশালে লকডাউনের মধ্যেও অভিনব পদ্ধতিতে পান-সিগারেট ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ‘হোম ডেলিভারি’
📍 বরিশাল | নিজস্ব প্রতিবেদক
বরিশালে লকডাউনের কারণে দোকানপাট বন্ধ থাকলেও পান-সিগারেটের বিক্রি চলছে অভিনব পদ্ধতিতে। এখন ফোনে যোগাযোগ করলেই বাসায় পৌঁছে যাচ্ছে পণ্য। কখনও বা দোকানিরা নিজের বাসার সামনে বসে সরাসরি বিক্রি করছেন। নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় এই পদ্ধতিতে ক্রেতা ও বিক্রেতার চাহিদা মেটছে।
লকডাউনের মধ্যে কার্যক্রম
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নগরীর ব্যাপ্টিস্ট মিশন এলাকার কয়েকজন যুবক জানান, লকডাউনের কারণে মুদি ও ফার্মেসি ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে চায়ের দোকানগুলোর উপর পুলিশি নজরদারি রয়েছে। চায়ের দোকানগুলো মূলত পান-সিগারেট বিক্রি করলেও এখন তারা বাসায় ডেলিভারি বা দোকানির মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরবরাহ চালাচ্ছেন।
গোপন পদ্ধতিতে ব্যবসা
অন্যদিকে মোবাইল, জামাকাপড় ও ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসায়ীরাও লুকিয়ে ব্যবসা করছেন। ফোনের মাধ্যমে পূর্বে যোগাযোগের পর ক্রেতা দোকানে প্রবেশ করলেও বাইরে থেকে শাটার বন্ধ রাখা হয়। দোকানের বাইরে পাহারায় থাকেন কয়েকজন কর্মচারী। কাঠপট্টি, গির্জামহল্লা, পোর্টরোড ও ফলপট্টি এলাকায় এই পদ্ধতি নিশ্চিত হয়েছে।
ক্রেতা ও বিক্রেতার অভিজ্ঞতা
কাঠপট্টির এক ক্রেতা জানান, বাসার ফ্যান নষ্ট হওয়ায় নতুন ফ্যান কিনতে ফোনে যোগাযোগ করেছিলেন। পরে দোকানে গিয়ে ক্রয় করেছেন। বিক্রেতারা জানান, লকডাউনের কারণে প্রথমে সব নির্দেশনা মেনে ব্যবসা বন্ধ রাখার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু ঈদ-উল-আজহা ও ভাড়া ও সংসারের কারণে বাধ্য হয়ে এইভাবে ব্যবসা চালাচ্ছেন। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করছেন বলে দাবি করেছেন।
প্রশাসনের নির্দেশনা
করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে বরিশালে লকডাউন জারি করা হয়েছে। বরিশাল মহানগরীতে দোকানপাট বন্ধ রাখার ক্ষেত্রে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।






