অবশেষে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার বিতর্কিত ওসি মিজানুর রহমানকে এয়ারপোর্ট থানায় বদলি করা হয়েছে।
এ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নতুন (ওসি) মোঃ আল মামুন-উল ইসলাম। তিনি এর আগে এয়ারপোর্ট থানায় নতুন ওসি ছিলেন।
তার যোগদানে (বিএমপি) কোতোয়ালি থানাধীন এলাকাবাসীর সহযোগিতা,সহকর্মীদের দোয়া ও ভালোবাসা একান্ত কাম্য।
উল্লেখ্য, কোতোয়ালির ইন্সপেক্টর মিজানুর রহমান ও গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর ছগির হোসেনের বিরুদ্ধে ডেভিল হান্টের অভিযানের আর্থির বানিজ্যের নানা অভিযোগ রয়েছে, থানায় আওয়ামী লীগ নেতা আনার পরেও কয়েকদফা রফাদফা হওয়ার পরে চাহিদানুযায়ী টাকা না হওয়ায় সেই আসামীকে আদালতে প্রেরণ করতে বাধ্য হয়। বেশ কিছু অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে থাকলেও ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায়নি কেউ।
তিনি ব্যস্ত থাকতেন নিজের ফেসবুক পেজের কন্টেন্ট বানিয়ে মানবিক পুলিশ বনে যেতে!তাইতো থানায় বছরের পর বছর মোবাইল ফোন হারিয়ে যাওয়ার ডিজি পরে থাকলেও মাত্র দুই মাসে উদ্ধার হয় টিকটকার মাহিয়া মাহির মোবাইল ফোন!
জনস্রুতি আছে- বিলাসবহুল জীবযাপন করা ওসি মিজানকে ঠিকমতো কোনো সেবাপ্রত্যাশি থানায় গিয়েও পেতেন না, তিনি গভীর রাতে ফেসবুক লাইভ করে বোঝাতেন তিনি সারাদিন থেকে গভীররাত পর্যন্ত কর্মব্যস্ত।