ফুটপাতে ও অস্থায়ী হাটে শীতের পোশাক
নগরীর সদর রোড, নথুল্লাবাদ, আমতলা, বাজার রোড, কাশিপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতের দোকান ও অস্থায়ী হাটে শীতের পোশাকের পসরা সাজানো হয়েছে। সোয়েটার, জ্যাকেট, হুডি, মাফলার, কানটুপি এবং শিশুদের উলের পোশাক ক্রেতাদের নজর কেড়েছে।
ক্রেতাদের সন্তুষ্টি
ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বল্প দামে শীতের পোশাক পাওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। একজন ক্রেতা বলেন, “শীত এখনো পুরোপুরি না এলেও আগেভাগে কিনে রাখছি। দামও তুলনামূলক কম।”
বিক্রেতাদের প্রতিক্রিয়া
বিক্রেতারা জানান, শীতের শুরুতেই বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতার চাপ থাকে। একজন বিক্রেতা বলেন, “৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকার মধ্যে ভালো মানের শীতের পোশাক দিচ্ছি। শীত বাড়লে বিক্রি আরও বাড়বে।”
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বস্তি
নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কম দামে শীতের পোশাক পাওয়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেক পরিবার একসঙ্গে শিশু ও বয়স্ক সদস্যদের জন্য পোশাক কিনছেন।
আবহাওয়া ও ভবিষ্যৎ বাজার চাহিদা
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে শীতের প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে শীতের পোশাকের চাহিদাও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।






