সংবাদ প্রকাশেও নড়েনি কর্তৃপক্ষ
জানা গেছে, তৌহিদুর রশিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে একাধিকবার গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এরপরও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। ফলে সচেতন মহলের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভোলা ও বরিশালে একই অভিযোগ
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে যোগদানের আগেও ভোলা সদর সেটেলমেন্ট অফিসে দায়িত্ব পালনকালে তৌহিদুর রশিদের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ ছিল। এমনকি জরুরি অবস্থাকালে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগে যৌথ বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার ঘটনাও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল বলে জানা গেছে।
৪২(ক) শুনানি ও বেতন বাণিজ্যের অভিযোগ
আরও অভিযোগ রয়েছে, ভোলা জেলার বিভিন্ন এলাকার ৪২(ক) ধারার অভিযোগের শুনানি এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে প্রতি মামলায় লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায় করেছেন তিনি। পাশাপাশি অধীনস্থ উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীদের বেতন বিল ছাড় করানোর জন্যও নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
নামে-বেনামে সম্পদের অভিযোগ
সূত্র জানায়, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে তৌহিদুর রশিদ নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। যদিও এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এখনো হয়নি। সচেতন মহলের দাবি, তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।
অভিযুক্তের বক্তব্য
অভিযোগ প্রসঙ্গে তৌহিদুর রশিদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি দাবি করেন, তিনি কারো কাছ থেকে বেতন বা ঘুষ নেন না এবং তার নামে কোনো বাড়ি বা অবৈধ সম্পদ নেই।
কর্তৃপক্ষের অবস্থান
এ বিষয়ে বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার তার নেই। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বদলি প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে সচেতন মহল দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত, দুর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।






