প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে শেবাচিমে ৬ মাসে ৩ বার অগ্নিকাণ্ড: সিসি ক্যামেরায় নাশকতার স্পষ্ট প্রমাণ | প্রিয় বরিশাল শেবাচিমে ৬ মাসে ৩ বার অগ্নিকাণ্ড: সিসি ক্যামেরায় নাশকতার স্পষ্ট প্রমাণ | প্রিয় বরিশাল
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে চরম উদাসীনতা বাংলার ভেনিস বরিশাল সম্ভাবনার অনন্য জনপদ কুয়াকাটায় ঝিনুকের সাদা কার্পেট ও বিদেশি পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় বরিশালের প্রাণকেন্দ্র সদর রোডের দুই শতাব্দীর বিবর্তন

শেবাচিমে ৬ মাসে ৩ বার অগ্নিকাণ্ড: সিসি ক্যামেরায় নাশকতার স্পষ্ট প্রমাণ

নিজস্ব প্রতিবেদন
  • প্রকাশিতঃ সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
অগ্নিকাণ্ড

শেবাচিমে ৬ মাসে ৩ বার অগ্নিকাণ্ড: সিসি ক্যামেরায় নাশকতার স্পষ্ট প্রমাণ

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক রহস্যময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে জানালা দিয়ে বাইরে থেকে আগুন ছড়িয়ে দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে।

মুহূর্তেই চারপাশ দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠার এই ঘটনাটি মূলত হাসপাতালের তৃতীয় তলার কনফারেন্স রুমের। তবে এই নাশকতার পেছনে কারা জড়িত, তা এখনো উদঘাটন করা যায়নি।

সিরিজ অগ্নিকাণ্ডে রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের চরম আতঙ্ক

বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বড় এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন মূলত ৫ হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নেন। অথচ সাম্প্রতিক সময়ে এখানে দুই মাস অন্তর অন্তর সিরিজ অগ্নিকাণ্ড ঘটছে।

চলতি বছরের গত ছয় মাসে হাসপাতালের স্টোর রুম, মেডিসিন ভবন ও ক্যাজুয়ালটি কক্ষে তিনটি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এসব ঘটনায় সৃষ্ট বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইতিমধ্যে দুই রোগী প্রাণ হারিয়েছেন।

চিকিৎসা নিতে এসে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও অগ্নিকাণ্ডে সাধারণ রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা চরম আতঙ্কে আছেন। তারা এই ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ডের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্রের সন্দেহ করছেন।

শর্ট সার্কিট নাকি পরিকল্পিত স্যাবোটেজ

হাসপাতালের নথিপত্র অনুযায়ী, গত দুই বছরে এখানে অন্তত আটটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে তিনটি অগ্নিকাণ্ড ছিল হাসপাতালের জন্য মারাত্মক এবং বেশ বড়।

গণপূর্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার সময়কার পুরনো বিদ্যুৎ লাইনের ওপর অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটা অগ্নিকাণ্ডগুলো অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে তারা মনে করছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘন ঘন অগ্নিকাণ্ড মূলত একটি পরিকল্পিত নাশকতার চেষ্টা। নির্দিষ্ট কিছু মহল এখানে স্যাবোটেজ বা বড় ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি ও সেনা কর্মকর্তার পরিচালনা

কর্তৃপক্ষ জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট এড়াতে পুরাতন লাইনগুলো দ্রুত অপসারণের কাজ চলছে। তবে নাশকতার কিছু স্পষ্ট প্রমাণ ও ফাইন্ডিংস ইতিমধ্যে তাদের হাতে এসেছে।

হাসপাতালের দালাল চক্র ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মহিউল মুনিরকে পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর দেড় বছরের সফল নেতৃত্বে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

তবে এই সংস্কারের মাঝেই সাম্প্রতিক সিরিজ অগ্নিকাণ্ডের রহস্য নতুন করে দানা বেঁধেছে। একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকারি ওষুধসহ ইতিমধ্যে অন্তত কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন: বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের আধুনিকায়ন ও বর্তমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102