নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিভিন্ন ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে অনেক দিন হলো। বিষয়টি প্রকাশ্য রুপ নেয় বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের আগ থেকে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই এবং বসুরহাট পৌরসভার বর্তমান মেয়র আবদুল কাদের মির্জা নানা ধরনের কথাবার্তায় দলে ভাবমূর্তি নষ্ট হতে থাকে এবং একই এলাকায় আওয়ামী লীগের সংঘর্ষের ঘটনাও প্রকাশ্যে আসে। এই নিয়ে এতো দিন দলের হাইকমান্ড চুপ থাকলেও এবার কঠোর অবস্থানে গিয়েছে তারা।
গতকাল রাতে গ্রেফতার হয়েছে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল।
একাধিক সূত্র বলছে, এরই মধ্যে কাদের মির্জার বিষয়েও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। সংঘর্ষে তার সমপৃক্ততা পাওয়া গেলে সেও গ্রেফতার হতে পারেন বলে জানা গেছে। এখন দুটি বিষয়ের উপরে নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেন। আর দ্বিতীয়ত বাদলের পরে কাদের মির্জাকেও গ্রেফতার করা হলে নোয়াখালীর রাজনীতিতে কি ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
কাদের মির্জা যদি গ্রেফতার হন তাহলে নোয়াখালীর রাজনীতিতে একটি মেরুকরন সৃষ্টি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে কাদের মির্জার কবে গ্রেফতার হন বা আর কে কে আইনের আওতায় আসেন তার ওপর।