মামুনুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে রীতিমতো বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে হেফাজত। হেফাজত নিজেরাই মামুনুলের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। হেফাজতের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা এ তথ্য স্বীকার করেছেন। জানা গেছে, জুনায়েদ বাবুনগরী ইতিমধ্যেই হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের দ্বিতীয় বিয়ের কাবিন চেয়েছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে কিভাবে মামুনুল বিয়ে করেছেন সেটি জানতে চেয়েছেন।
হেফাজন সূত্রে জানা গেছে যে, এই দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে শরিয়ত মোতাবেক কার্যক্রমগুলো মামুনুল হক পালন করেছেন কিনা সেটি হেফাজত জানতে চাইছে। এছাড়াও দ্বিতীয় বিয়ে করার ক্ষেত্রে হেফাজতকে অবহিত না করার বিষয়টিও এখন সামনে চলে এসেছে। এটি নিয়েও হেফাজতের নেতৃবৃন্দ মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এ রয়েল রিসোর্টে এক নারীকে নিয়ে প্রমোদবিহারে গিয়ে ধরা খান হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে। পরে হেফাজতের উশৃঙ্খল কর্মীরা রয়েল রিসোর্ট ভাঙচুর করে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সেই সময় মামুনুল হক দাবি করেন যে, সেই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। কিন্তু তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করার পরও ওই ঘটনায় অসঙ্গতি পাওয়া গেছে যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে।
প্রথমত, হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের এটি যদি দ্বিতীয় স্ত্রী হয় তাহলে তিনি এতদিন তা প্রকাশ করেন নি কেনো ?
দ্বিতীয়ত, তার দ্বিতীয় স্ত্রী তথ্য তার প্রথম স্ত্রী জানেন না কেনো ?
তৃতীয়ত, তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়েই যদি তিনি রিসোর্টে বেড়াতে যান তাহলে সেখানে প্রথম স্ত্রীর নাম লিখলেন কেনো ?
চতুর্থত, প্রথম স্ত্রীকে তিনি কেনো বললেন যে, এটি অন্য ব্যক্তির স্ত্রী। একটি ঘটনা ঘটেছে সাক্ষাতে এসে বলবো।
এই সমস্ত অমিমাংশিত প্রশ্নগুলোর সমাধান না দিতে পারলে হেফাজত অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে বলে স্বীকার করছেন হেফাজতের নেতারাই। আর এ কারণেই হেফাজতের আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী এখন এই বিষয়টি নিয়ে বিচার বসিয়েছেন।