আমতলী প্রতিনিধি॥ আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের বিতর্কিত দুর্নীতিবাজ সেই কর্মচারী মো. এনামুল হক বাদশাকে বদলি করা হয়েছে। এনামুলকে বদলির আদেশের খবরে এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে। ওইদিন রাতে এলাকায় মিষ্টি বিতরন করা হয়।
বরগুনা জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান বরিবার তাকে হতদরিদ্রদের ঘরের তালিকা তৈরিতে অনিয়ম, টাকার বিনিময়ে ধনাট্য ব্যাক্তি ও আত্মীয়-স্বজনদের ঘর দেয়ার অভিযোগ এনে তাকে আমতলী থেকে বেতাগীতে বদলির আদেশ দেন। এছাড়া এঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হাসানের নেতৃত্বে ১ সদস্য বিষিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
জানাগেছে, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আশ্রায়ণ প্রকল্প-২ এ অধীনে দ্বিতীয় ধাপে আমতলী উপজেলায় হতদরিদ্রদের জন্য ৩’শ ৫০ টি ঘর বরাদ্দ দেয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই প্রকল্পের গুলিশাখালী ইউনিয়নে ৫০ টি ঘর বরাদ্দ দেন ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান।
ঘড় বরাদ্ধে স্বজন প্রীতি, টাকার বিনিময়য়ে বরাদ্দসহ নানা বিধ অভিযোগ ওঠে ইউএনও অফিসের সাাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর মো, এনামুল হক বাদসহ ক্ষোদ ইউএনওর বিরুদ্ধে।
ঘড় বিতরনে ঘুষ বানিজ্য ও স্বজন প্রীতির অভিযোগ এনে এলাকার যুবলীগ নেতা কামাল রাঢী নামে একজন বরগুনার জেলার প্রশাসকের নিকট বাদী হয়ে অভিযোগ দিলে ক্ষুদ্ধ হন ইউএনও মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার রাতে একদল সন্ত্রীর মাধ্যমে ওই অভিযোগ কারীকে ইউএনওর নির্দেসে একদল সন্ত্রাসী তাকে অপহরন করে ইউএনওর বাসায় নিয়ে আটকে নেরখে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেন।
এঘটনা সমকালসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে ইউএনও অফিসের বিতর্কিত কর্মচারী এনামুল হক বাদশাকে বরগুনার বেগাতীতে বদলী করেন। এবং একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এনআমুলকে বদলী এবং তদন্ত কমিটি গঠন করায় এলাকায় মানুষের মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত কমিটির প্রধান মোঃ নাজমুল হাসান তদন্ত কমিটির চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেয়া হবে।
বরগুনা জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, আমতলীর ঘরের তালিকা তৈরিতে অনিয়মসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।