আমতলী প্রতিনিধি॥ আমতলী উপজেলার মাইঠা শারিখ খালী গ্রামে শুক্রবার রাত ৯ টার সময় যুবনেতা মো. আবুল কালাম আজাদ (৪০) ও উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান মৃধাকে (৩৮) সন্ত্রীরা নির্দয় ভাবে কুপিয়ে পা ও হাত কেটে দিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। আহত যুব নেতা মো. আবুল কালাম আজাদ আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক ও পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমানের ভাগ্নে।
জানাগেছে, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মো. মতিয়ার রহমানের ভাগ্নে মো. যুবলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ ও উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান মৃধা শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দাওয়াত খেতে মাইঠা গ্রামে যান। আজাদ এবং হাসান মৃধা ওই গ্রামে পৌছা মাত্রই পূর্ব থেকে ওই গ্রামের রাস্তায় ওতপেতে থাকা ১০-১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আজাদ ও হাসানকে ধরে শারিকখালী খালের পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা ধারালো রামদা এবং চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আজাদের দুই হাতের বাহু, তালু, কব্জি, দু পায়ের হাটু ও পায়ের গোড়ালী এলোপাথারি কুপিয়ে কেটে দেয়। এবং হাসানের দু’হাতের বাহু ও কব্জি কেটে জখম করে। সন্ত্রাসীরা তাদের কুপিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে বীর দর্পে চলে যায়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আমতলী হাসপাতালে নিয়ে আসে। ওই হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসা মো. মোশের্^দ আলম তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সঙ্কটজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ঈদের দাওয়াত খাওয়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা কৌশলে আমার ভাগ্নে আজাদ এবং শ্রমিকলীগ নেতা হাসানকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে কুপিয়ে হাত ও পা কেটে দিয়েছে। আমি এ বর্বরতায় শাস্তি দাবী করছি।
আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) রনজিত কুমার সরকার বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অপরাধীদের আটকের জন্য অভিযান শুরু করা হয়েছে।