প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযানের কি হল? | প্রিয় বরিশাল আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযানের কি হল? | প্রিয় বরিশাল
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখন বিপজ্জনক মরণ ফাঁদ গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম

আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযানের কি হল?

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিতঃ শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২১
আওয়ামী লীগের শুদ্ধি অভিযানের কি হল?

স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেখা যাচ্ছে যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কোন্দল কোনো কিছুই কমেনি। এই নির্বাচনগুলোকে ঘিড়ে দলের মধ্যে আবার সুবিধাবাদি ও বহিরাগতরা প্রবেশ করার চেষ্ঠা চালাচ্ছে। এই নির্বাচনে জেতার জন্য প্রার্থীরা মরিয়া হয়ে উঠেছে। এতে করে নির্বাচনে জেতার জন্য সবার সাথে সমঝোতা করার চেষ্ঠা এবং এর মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

দলের ভেতরে যারা অনুপ্রবেশকারী, যাদের টাকা, পেশী শক্তি বা নানা রকম প্রভাব প্রতিপত্তি আছে তারা এই সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নিজেদের আখের গোছাতে ব্যাস্ত। তারা সহজেই বাইরে থেকে এসে আওয়ামী লীগের ভেতরে জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। ফলে দলের ভাবমূর্তির কি হলো সেদিকে তাদের নজর নেই, আবার তাদের কারণে দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতারা হয়ে পড়ছে কোনঠাসা। তাদের নজর ক্ষমতায় যাওয়া এবং আওয়ামী লীগের দলীয় পরিচয় ব্যাবহার করা।

আওয়ামী লীগ বার বার শুদ্ধি অভিযানের কথা বলে আসছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা করেছেন এবং সেই তালিকা অনুয়ায়ি ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেছেন।  কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে শুদ্ধি অভিযান যারা করবেন সেসব আওয়ামী লীগ নেতারাই অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্নভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। ফলে শুদ্ধি অভিযান করার জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনটা আওয়ামী লীগের জন্য সুবিধাজনক ছিলো। এখানে যদি ব্যবস্থা নেয়া হতো তাহলে শাহেদ-পাপিয়াদের উত্থান হতো না বলে মনে করছেন অনেকে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় এবং দেশব্যাপী যে উন্নয়ন করেছে ফলে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হওয়া মানে সোনার হরিণ ধরা। যে নৌকা পাবে সেই বিজয়ী হবে ফলে এই সুবিধা নেয়ার জন্য সুবিধাবাদীরা টাকা এবং প্রভাব-প্রতিপত্তি দিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। আর এই জায়গায় শুদ্ধি ব্যবস্থা না হলে আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে আর তৃণমূলের কর্মীরা হতাশ হবে।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102