প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে বরিশালে বড় মাথার শিশুকে নিয়ে উদ্বেগে বাবা-মা | প্রিয় বরিশাল বরিশালে বড় মাথার শিশুকে নিয়ে উদ্বেগে বাবা-মা | প্রিয় বরিশাল
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখন বিপজ্জনক মরণ ফাঁদ গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম

বরিশালে বড় মাথার শিশুকে নিয়ে উদ্বেগে বাবা-মা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিতঃ মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
বরিশালে বড় মাথার শিশুকে নিয়ে উদ্বেগে বাবা

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বরিশাল নগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সিঅ্যান্ডবি কোয়ার্টারের জালাল সরদার ও রুমানা বেগমের আট মাসের ছেলে মোহাম্মদ বায়জীদ। জন্ম থেকেই তার মাথা দেহের তুলনায় অস্বাভাবিক বড়। বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরেও ছেলের চিকিৎসা করাতে না পেরে হতাশ দিনমজুর জালাল।

জানা যায়, গত বছর ৪ জুন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্ম হয় বায়জীদের। তখন থেকেই তার মাথার আকৃতি পুরো শরীরের চার ভাগের তিন ভাগ। এভাবেই বড় হতে থাকে সে।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যালের শিশু বিভাগের প্রধান উত্তম কুমার সাহা জানান, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগের নাম হাইড্রোসেফালাস। মস্তিষ্কের ভেতর স্বাভাবিকভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ তরল তৈরি হয়, যাকে বলে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড। এর মধ্যে বেশির ভাগই নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয়ে রক্তে মিশে যায় ও বাকিটুকু মস্তিকের কাজে লাগে।

তিনি বলেন, কোনো কারণে বাড়তি তরল প্রবাহিত না হতে পারলে তা জমতে থাকে। বেড়ে যায় মাথার আকার। অনেক শিশুর মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় এই ত্রুটি দেখা দেয়। বায়জীদের ক্ষেত্রে তাই হয়েছে।

এই চিকিৎসক আরো বলেন, মাথায় অস্ত্রোপচার করে এর চিকিৎসা করতে হয়। তবে তা রাজধানীর নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে করতে হবে। সে জন্য বায়জীদকে ওই হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। এই চিকিৎসায় দুই লাখ টাকার মতো খরচ হতে পারে।

জালাল জানান, বায়জীদের চিকিৎসায় এরই মধ্যে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। করোনার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে ফুটপাতে থাকা শিঙাড়া বিক্রির ব্যবসা। এরপর দিনমজুরির কাজ করে এখন কোনো রকমে সংসার চালান। ছেলের চিকিৎসা চালানোর মতো টাকা নেই তার। জালাল ও রুমানার দশ বছর ও চার বছরের আরো দুই সন্তান আছে।

রুমানা বলেন, বড় দুইজনের খরচ ও ছোট ছেলের চিকিৎসাসব মিলিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এমন অবস্থায় বায়জীদের মায়ের আকুতি, ‘আমাদের যদি সহযোগিতা করা হয় তাহলে আমাদের বাচ্চার চিকিৎসা ঠিকভাবে করাতে পারতাম।

শিশুটিকে বাচাঁতে সাহায্য করার অনুরোধ জানিয়েছেন মা-বাবা। মোবাইল ০১৭৩৫৮০২০৪৩ (বিকাশ), সঞ্চয় হিসাব নম্বর- মার্কেনটাইল ব্যাংক, বরিশাল শাখা (১১৩৭১২১১৮১৬৯১৭৮)।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102