নগরী ও উপজেলার বাজারে সংকট
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নগরীর বিভিন্ন এলাকা ও উপজেলার বাজারে গ্যাস সিলিন্ডারের সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার বিক্রি হলেও অনেক দোকানেই গ্যাস নেই বলে জানাচ্ছেন বিক্রেতারা। ফলে অনেক গ্রাহকই ইলেকট্রিক চুলার দিকে ঝুঁকছেন।
ইলেকট্রিক চুলার বিক্রি বেড়েছে
বরিশাল নগরীর সদর রোড, নথুল্লাবাদ ও কাউনিয়া এলাকার ইলেকট্রনিক্স দোকানগুলোতে ইলেকট্রিক চুলার বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, আগে যেখানে দিনে ১–২টি চুলা বিক্রি হতো, এখন সেখানে প্রতিদিন ৮–১০টি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
একজন ভোক্তা জানান, “গ্যাস না পেয়ে বাধ্য হয়ে ইলেকট্রিক চুলা কিনেছি। বিদ্যুৎ বিল কিছুটা বাড়বে জানি, তবু রান্নার জন্য আর কোনো উপায় ছিল না।”
গ্যাস সরবরাহ ও পাইকারি দাম
গ্যাস সরবরাহকারীরা জানাচ্ছেন, বর্তমানে চাহিদার ছয় ভাগের একভাগও সরবরাহ হচ্ছে না। প্রতি চার-পাঁচদিন পরপর তার দোকানের জন্য এক ট্রাক গ্যাসের সিলিন্ডারের প্রয়োজন হয়। তবে কোম্পানি মাত্র ৭০-৭২টি সিলিন্ডার সরবরাহ করছে। ফলে খালি ট্রাক বরিশালে আনতে হচ্ছে। ট্রাক ভাড়া সমন্বয় করে প্রতি সিলিন্ডার গ্যাস ১,৪৫০ টাকাে পাইকারি বিক্রি করতে হচ্ছে।
দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি গ্যাস সংকট দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের চাপ বাড়তে পারে, যা নতুন করে লোডশেডিংয়ের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা জরুরি বলে তারা মত দিয়েছেন।
ভোক্তা অধিকার ও বাজার মনিটরিং
এদিকে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টরা বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সংকটকে পুঁজি করে কেউ অতিরিক্ত দাম নিতে না পারে এবং সাধারণ ভোক্তা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।






