দুদকের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত বরিশাল আদালতের
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ শেখ ফারুক হোসেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার আসামি হিসেবে এই আদেশ দেন।
প্রথমত, এই মামলাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সময় ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পরই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হলো।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত শিক্ষকরা হলেন— পুতুল রানী মন্ডল, কল্যানী দেবনাথ, গোলাপী রানী, সাবনিন জাহান, সুরাইয়া সুলতানা, সুবর্না আক্তার, কাওসার হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, ফাতেমাতুজ হোজরা, রোকসানা খানম, শহিদুল ইসলাম, রেশমা আক্তার, রহিমা খাতুন, আকতার হোসেন খোকন, নাছরিন, মনির হোসেন, রেহেনা পারভীন, আহসান হাবীব, সামসুন্নাহার, আক্তারুজ্জামান মিলন ও মনিরুজ্জামান।
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম জানান, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার নয়টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। তবে এসব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ভুয়া রেকর্ডপত্রকে সঠিক হিসেবে দেখিয়ে নিয়োগ প্রদর্শন করা হয়।
এর মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় দুদকের বর্তমান কেন্দ্রীয় দপ্তরের উপ-পরিচালক ও বরিশালের সাবেক সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর মামলা করেন। শুরুতে ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও পরে তদন্ত কর্মকর্তা রাজ কুমার সাহা ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ২১ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
সবশেষে বিচারক চার্জশিট গ্রহণ করে অভিযুক্ত ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।
বরিশালের সর্বশেষ খবর পেতে ভিজিট করুন:
https://priyobarishal.com