প্রধানমন্ত্রীর বরিশাল সফরকে কেন্দ্র করে এবার শহরজুড়ে দেখা গেল এক সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনার কারণে শহরজুড়ে কোথাও অপ্রয়োজনীয় ব্যানার ও ফেস্টুনের ছড়াছড়ি নেই। অতিরিক্ত প্লাস্টিক নির্ভর সাজসজ্জা না থাকায় বরিশাল নগরীর পরিবেশও পেয়েছে স্বস্তির ছোঁয়া।
নতুন ও ইতিবাচক এই রাজনৈতিক চর্চাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশবিদসহ সাধারণ সচেতন মানুষ। অতীতে যেকোনো বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি মানেই অশ্বিনী কুমার হলের সামনে ব্যানার থাকত। কিন্তু এবারের সফরে সদর রোড কিংবা চৌমাথা লেকের কোথাও প্রচারণা দেখা যায়নি।
রাজনৈতিক তোরণ না থাকায় সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদেরও কাজের বড় ভোগান্তি অনেকটা কমেছে। নেতারা জানান, ব্যানার-ফেস্টুনের বেঁচে যাওয়া অর্থ অসচ্ছল দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে বিতরণ করা হবে। প্রচারণার সাজসজ্জার ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা সাময়িক মন্দার মুখে পড়লেও মনে কষ্ট পাননি।
প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আসছেন এবং আমাদের বড় চাহিদা পূরণ হবে, এতেই আমরা অনেক আনন্দিত। পরিবেশবিদরা বলছেন, প্রচার-প্রচারণা ছাড়া এমন জনসভা করা বাংলাদেশের জন্য বড় একটি দৃষ্টান্ত। তারেক রহমানের হাত ধরে শুরু হওয়া এই ইতিবাচক চর্চা অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
আরও পড়ুন: পরিবেশ সুরক্ষায় বরিশালে রাজনৈতিক প্রচারণায় ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহারের নতুন প্রস্তাব