মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল এবং তিনি দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় অভিনয়ের সাথে যুক্ত ছিলেন।
ভোট দিয়ে ফেরার পথেই চিরবিদায়
তার পারিবারিক সূত্র ও স্ত্রী হুমায়রা নওশিন জানান, কয়েক দিন আগেই তারা গ্রামের বাড়ি বরিশালে বেড়াতে গিয়েছিলেন।
মৃত্যুর দিন সকালেও তিনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলেন এবং স্থানীয় নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
তবে দুপুরের দিকে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বা হার্ট অ্যাটাকের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে টানা ৪০ দিন হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
সেই যাত্রায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও এবার আর শেষ রক্ষা হলো না।
অভিনয় জীবনে দুই দশকের পথচলা
তিনু করিম কেবল একজন অভিনেতাই ছিলেন না, বরং শোবিজ অঙ্গনে তার ছিল দীর্ঘদিনের পদচারণা।
২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি অসংখ্য নাটক ও টেলিফিল্মে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।
তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আরও পড়ুন: সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের মাতম
পরিশেষে বলা যায়, তিনু করিমের এই চলে যাওয়া দেশের অভিনয় জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।






