প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে প্রিয় বরিশাল - খবর এখন স্মার্ট ফোনে মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখলের অভিযোগ | প্রিয় বরিশাল মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখলের অভিযোগ | প্রিয় বরিশাল
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন
প্রিয় বরিশাল :
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এখন বিপজ্জনক মরণ ফাঁদ গুলশানে বরিশালের সোহেল মল্লিকের জোনাকি রেস্টুরেন্টের বাজিমাত মা ইলিশ নিষেধাজ্ঞায় কর্মহীন লাখো জেলে ডেফুলিয়ায় জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিতর্ক বরিশালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর: বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের নেতা ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি সরোয়ার এখনো ঢাকা মেট্রোতে বহাল থাকা নিয়ে প্রশ্ন দক্ষিণাঞ্চলের ড্রেজিংয়ে শতকোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ বরিশালে মাদক অভিযানে এএসআইয়ের উপস্থিতি ও পলায়ন বরিশালের ৫০০ বছরের প্রাচীন গায়েবি মসজিদ দেখতে পর্যটকদের ভিড় ঢাবির সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থীর ঠিকানা এখন বরিশালের বৃদ্ধাশ্রম

মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখলের অভিযোগ

মুলাদী প্রতিনিধি
  • প্রকাশিতঃ বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
নদী দখল

মুলাদীতে নদী দখল ঘিরে উদ্বেগ

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় জয়ন্তী নদীর একটি অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে এই দখল কার্যক্রম চলায় নৌযান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে।

ফলে একদিকে যেমন বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে নদী ও পরিবেশের ওপরও মারাত্মক হুমকি তৈরি হয়েছে।

এ কারণে ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

নৌপথ বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকা–বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পণ্য আনা–নেওয়ার ক্ষেত্রে জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ।

যদিও নদীতে চর জেগে ওঠায় কিছুটা সমস্যা হয়, তবুও জোয়ার–ভাটা বুঝে দীর্ঘদিন ধরে ট্রলার চলাচল করে আসছে।

কিন্তু সম্প্রতি বাঁশ দিয়ে নদীর অংশবিশেষ ঘিরে ফেলার ফলে ট্রলার ঢুকতে পারছে না। এর ফলে বাধ্য হয়ে ব্যয়বহুল সড়কপথে পণ্য পরিবহন করতে হচ্ছে, যা সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের আশঙ্কা

বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নেতারা বলছেন, নদীর একটি অংশ দখল হয়ে গেলে ভবিষ্যতে পুরো পশ্চিম পাশ দখলের আশঙ্কা রয়েছে।

এতে শুধু ব্যবসা নয়, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এই অবস্থায় তারা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

দখলের অভিযোগ অস্বীকার

তবে অভিযুক্তদের একজন আব্দুর রাজ্জাক সিকদার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তারা নিজেদের রেকর্ডভুক্ত জমিতে পাইলিং করে স্থাপনা নির্মাণ করছেন। তার মতে, নদীতে নৌযান চলাচলে এতে কোনো বাধা সৃষ্টি হচ্ছে না।

প্রশাসনের অবস্থান

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানান, প্রাথমিক পরিদর্শনে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে। সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং নদী রক্ষায় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ক্যাটাগরির আর নিউজ
© All rights reserved 2018-2026
Design By MrHostBD
themesba-lates1749691102